নীরবে পোড়ে একটি মেয়ে
মোঃ বুলবুল হোসেন
ঘোমটার আড়ালে লুকিয়ে আছে,
আনমনে কাঁদে সকাল-সাঁঝে।
স্বপ্ন গুলো ছাই হয়ে গেছে,
আঙুল তুলে কে কবে বাজে?
স্বামী যখন হুকুম দেয়,
শব্দের মাঝে আগুন জ্বলে,
ভুল করলেই চড়ের কষা—
ভালোবাসা! শুধু মুখে চলে।
শাশুড়ি বলেন— “বউ এক মন্দ,”
চোখে জ্বলে অবজ্ঞা চিরদিন।
শ্বশুর বলেন— “কাজে লাগে না,”
শুধুই বাজে বকবক সারাদিন।
চুল ধরে টান, থালায় লাথি,
ভুল করলেই রান্না বাজে,
শরীর শুধু নয়, মনটা পোড়ে,
চোখের নিচে রাত্রি সাজে।
কে বুঝবে তার নীরব যন্ত্রণা,
হাসি গুলো সবই মুখোশ,
ভেতরে তার রক্তক্ষরণ,
চোখে জমে কান্নার রোষ।
নির্যাতনের নীচে চাপা,
একটি মেয়ে ধীরে মরে—
অভিমান আর অসহায়তা,
তার হৃদয়ে হাহাকার ঢরে।
একদিন সে হেসে উঠে,
দরজা খুলে পথেই চলে—
পিছনে ফেলে জ্বালার সংসার,
আলো খোঁজে নিজের ছলে।