আমাদের কালিহাতি
মোঃ বুলবুল হোসেন
আমাদের কালিহাতি— হৃদয়ের আলো;
গৌরব লেখা মাটির বুকে, চলার পথের চালো।
তাঁতের শাড়ির রঙিন দোল, স্মৃতির আকাশ ঢালো,
যমুনার হাওয়ায় জেগে ওঠে— আমার গাঁয়ের ঢেউয়ের পালো।
উত্তরবঙ্গের দ্বার খুলে, দাঁড়ায় সেতু যমুনার,
কালিহাতির গর্ব বাজে, সময় বয় যে নভোনীল ধারার,
ইতিহাস গায় মৃদু সুরে— মাটির গন্ধে অপরূপ পারার।
আমাদের কালিহাতি— হৃদয়ের আলো;
গৌরব লেখা মাটির বুকে, চলার পথের চালো।
তাঁতের শাড়ির রঙিন দোল, স্মৃতির আকাশ ঢালো,
যমুনার হাওয়ায় জেগে ওঠে— আমার গাঁয়ের ঢেউয়ের পালো।
ইব্রাহিমাবাদের স্টেশনে ভোর আসে গান হয়ে,
রিসোর্ট বাড়ায় নদীর ডাকে আনন্দ ঢেউ–ঢেউয়ে,
পাথর ঘাটে দিনের শেষে চাঁদ নেমে যায় নৌকার বেয়ে।
আমাদের কালিহাতি— হৃদয়ের আলো;
গৌরব লেখা মাটির বুকে, চলার পথের চালো।
তাঁতের শাড়ির রঙিন দোল, স্মৃতির আকাশ ঢালো,
যমুনার হাওয়ায় জেগে ওঠে— আমার গাঁয়ের ঢেউয়ের পালো।
বাঁশ–বেতের কাজে ভাসে ঘর, কোমল রঙের পরশ,
শীতল পাটির স্পর্শ জুড়ে ছুঁয়ে যায় মন–আলোড়ন বেশ,
টেক্সটাইল কলেজ স্বপ্ন আনে— নতুন দিনের অনাবিল রেশ।
আমাদের কালিহাতি— হৃদয়ের আলো;
গৌরব লেখা মাটির বুকে, চলার পথের চালো।
তাঁতের শাড়ির রঙিন দোল, স্মৃতির আকাশ ঢালো,
যমুনার হাওয়ায় জেগে ওঠে— আমার গাঁয়ের ঢেউয়ের পালো।
লাঠিখেলার মাঠে এখনো দাপট পুরনো দিনের,
মৃৎশিল্পের চাকা ঘোরে রঙে–মাটির গানের,
ইন্দুটির দই, নারান্দিয়ার মুড়ি— স্বাদে মধুর প্রাণের।
আমাদের কালিহাতি— হৃদয়ের আলো;
গৌরব লেখা মাটির বুকে, চলার পথের চালো।
তাঁতের শাড়ির রঙিন দোল, স্মৃতির আকাশ ঢালো,
যমুনার হাওয়ায় জেগে ওঠে— আমার গাঁয়ের ঢেউয়ের পালো।