সুমন ইন্টার পরীক্ষা দিয়েছে। পরীক্ষার পর সুমনের দিন কাটছে বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিয়ে । একদিন সুমনের বাবা ডেকে বলল, তোর পরীক্ষার রেজাল্ট কবে দিবে? সুমন বললো এইতো বাবা সামনের সপ্তাহে দেওয়ার কথা। সুমন পাস করল পরিবারের সবাই খুশি। সুমনের বাবা বলল এবার একটা কিছু কর কোন জায়গায় ভর্তি হও।সুমন ভালো কোন জায়গায় ভর্তি হওয়ার জন্য ছোটাছুটি করতে থাকে।

এমন অবস্থায় হঠাৎ করে সুমনের মোবাইল এটার ফোন আসে। সময়টা ছিল ২২ শে আগস্ট ২০১৯। ফোন রিসিভ করতেই একটা মেয়ের কন্ঠ শোনা গেল। মেয়েটি সালাম দেয়। সুমন সালামের উত্তর দেয় এমন অবস্থায় মেয়েটার প্রশ্ন করতে থাকে। সুমনা মেয়েদের সাথে দীর্ঘ ক্ষণ কথা বলে, তাদের সময় পার করতে থাকেন। কথা বলতে বলতেই তাদের সম্পর্ক বন্ধুত্বের পরিণত হয়ে যায়। মেয়েটার পরিচয় বলে। মেয়েটির নাম আসমা বরিশাল কতুয়ালী থানা। মেয়েটির জর্ডানে একটা গার্মেন্টসে শিল্প কারখানা কাজ করে। মেয়েটি তার মনের সকল কথা শেয়ার করে সুমনের সাথে। মেয়েটির দুঃখের স্মৃতি গুলো সুমনের সাথে শেয়ার করে।মেয়েটির কথায় সুমন আপ্লুত হয়ে তাকে ভালোবেসে ফেলে।

একপর্যায়ে মেয়েটি বলে ফেলে আজ থেকে তুমি আমার স্বামী।আর তুমি স্বামী হিসেবে কথা বলবে। সুমান মেয়েটির কথা শুনে রাজি হয়ে যায়। এর আগে কোন মেয়ের সাথে সুমন এভাবে কখনো কথা বলেনি। একপর্যায়ে এসে মেয়েটি সুমনের দেন জ্ঞান হয়ে যায়। মেয়ে টি সুমনের সাথে কথা না বলে থাকতে পারেন। দুইজনের মধ্যে এমন কোন কথা নেই যা বলা হয়নি। সুমন যেহেতু স্টুডেন্ট বেকার মেয়েটি কর্মজীবী। তাই সুমনকে অনেক কিছু গিফট দেয়। তাদের প্রেমের সম্পর্ক লাইলী-মজনু হার মানাবে এমন মনে হয়।

এক পর্যায়ে এসে মেয়েটির সুমনকে এড়িয়ে চলতে থাকে। সুমন কিছু বললেই অনেক কিছু অজুহাত বাহানা ধরে। সুমন কথা না বলতে পেরে পাগলের মত হয়ে যায়। সুমন কিছু বললেই মেয়েটি সুমনকে গালাগালি করতে থাকে। এমনকি সুমনকে যে গিফট দিয়েছে সেটা ফেরত চায়। মেয়েটি বলে ফেলে তোর মত ছেলেদের নিয়ে খেলা করা আমার নেশা। বলে সুমনের ফোনটি কেটে দেয়। সুমন মনের দুঃখে মেয়েকে তার দেওয়া উপহার ফেরত দিয়ে দেয়। সুমন পাগলের মত হয়ে যায়।